HomeAbout UsPractice AreasOur TeamPublicationsContact Free Consultation →

ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন বাংলাদেশ

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেটদের মাধ্যমে DPDT-তে আপনার ব্র্যান্ডের নাম ও লোগো নিবন্ধন করুন। পরিষ্কার ধাপ, বাস্তবসম্মত সময়, কাজ শুরুর আগেই খরচ জানুন।

DPDT
পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
১২–২৪ মাস
বিরোধিতা না থাকলে সাধারণ সময়
২ মাস
জার্নালে প্রকাশের পর বিরোধিতার সময়
৭ + ১০ বছর
প্রাথমিক মেয়াদ, এরপর প্রতি ১০ বছরে নবায়ন

আপনার ব্র্যান্ডকে আইনি সুরক্ষা দিন

বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT), ট্রেডমার্কস আইন, ২০০৯ ও ট্রেডমার্কস বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী। নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক আপনাকে সারা বাংলাদেশে আপনার ব্র্যান্ডের নাম, লোগো বা স্লোগান একচেটিয়াভাবে ব্যবহারের অধিকার দেয়। নকলকারীর বিরুদ্ধে নোটিশ পাঠানো ও মামলা করার সবচেয়ে শক্ত ভিত্তিও এটি।

২০১৫ সাল থেকে আমাদের অ্যাডভোকেটরা প্রতিদিন DPDT-তে ট্রেডমার্কের কাজ করছেন: নতুন উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে বড় শিল্পগোষ্ঠী এবং বিদেশি ব্র্যান্ডের জন্য।

রেজিস্ট্রেশনের ধাপসমূহ

  1. সার্চ ও যাচাইDPDT-র রেজিস্টারে একই বা কাছাকাছি নাম/লোগো আছে কিনা আমরা খুঁজে দেখি এবং লিখিত মতামত দিই। এতে পরে আবেদন বাতিল বা বিরোধিতার ঝুঁকি কমে।
  2. আবেদন দাখিলমার্কের ছবি/নাম, নিস (Nice) শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী পণ্য বা সেবার তালিকা এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নিসহ আবেদন জমা দেওয়া হয়। একটি আবেদনে একাধিক ক্লাস রাখা যায়।
  3. পরীক্ষা (Examination)রেজিস্ট্রার মার্কটি স্বতন্ত্র কিনা এবং আগের কোনো মার্কের সাথে মিলে যায় কিনা যাচাই করেন। আপত্তি এলে আমরা লিখিত জবাব দিই বা শুনানিতে অংশ নিই।
  4. জার্নালে প্রকাশগৃহীত হলে মার্কটি ট্রেডমার্কস জার্নালে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের পর দুই মাসের মধ্যে যে কেউ বিরোধিতা করতে পারেন।
  5. বিরোধিতা (থাকলে)কেউ বিরোধিতা করলে আমরা জবাব ও প্রমাণ দাখিল করে আপনার পক্ষে লড়ি।
  6. নিবন্ধন সনদবিরোধিতা না থাকলে বা আপনার পক্ষে নিষ্পত্তি হলে DPDT নিবন্ধন সনদ দেয়। নবায়নের তারিখ আমরা মনে রাখি।

যা যা লাগবে

  • আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা (ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান)
  • ব্যবসার ধরন (উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী, সেবাদাতা)
  • ব্র্যান্ডের নাম ও/অথবা লোগো (ভালো মানের ছবি)
  • কোন পণ্য বা সেবায় মার্কটি ব্যবহার হবে
  • আগে থেকে ব্যবহার করলে প্রথম ব্যবহারের তারিখ
  • স্বাক্ষরিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (ফর্ম আমরা দেব)

ইতিমধ্যে ব্র্যান্ডটি দিয়ে ব্যবসা করছেন? এখনই আবেদন করুন। নিবন্ধনের আগে অন্য কেউ একই নামে আবেদন করে ফেললে আপনাকে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল আইনি লড়াইয়ে যেতে হতে পারে।

যে কারণে আবেদন বাতিল হয়

  • বর্ণনামূলক নাম: যেমন "সেরা চাল" বা "সুপার ক্লিন", যা স্বতন্ত্র নয়
  • আগের কোনো মার্কের সাথে মিল: তাই আবেদনের আগে সার্চ জরুরি
  • সময়সীমা পার হয়ে যাওয়া: আপত্তি বা বিরোধিতার জবাব দেরিতে দিলে
  • ভুল ক্লাস নির্বাচন: এতে অপ্রয়োজনীয় খরচ বা আপত্তি হয়

Read this guide in English: Trademark registration in Bangladesh.

সাধারণ প্রশ্ন

ট্রেডমার্ক নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর

ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন করতে কতদিন লাগে?
কোনো আপত্তি বা বিরোধিতা (opposition) না থাকলে সাধারণত আবেদন থেকে সার্টিফিকেট পেতে প্রায় ১২ থেকে ২৪ মাস লাগে। তবে আপনার অধিকার গণনা হয় আবেদনের তারিখ থেকে, তাই যত দ্রুত আবেদন করবেন তত ভালো।
RJSC-তে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলে কি ব্র্যান্ডের নাম সুরক্ষিত হয়?
না। RJSC শুধু কোম্পানির নাম নিবন্ধন করে; পণ্য বা সেবার ব্র্যান্ড হিসেবে ওই নাম একচেটিয়াভাবে ব্যবহারের অধিকার দেয় না। এই অধিকার পেতে DPDT-তে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। কোম্পানির নাম নিবন্ধিত থাকলেও অন্য কেউ ওই নামে ট্রেডমার্ক আবেদন করে ফেলতে পারে।
ফেসবুক পেজ বা অনলাইন ব্যবসার নাম কি ট্রেডমার্ক করা যায়?
হ্যাঁ। যে নাম বা লোগো দিয়ে আপনি পণ্য বা সেবা বিক্রি করেন, সেটি ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধন করা যায়, ব্যবসা অনলাইনে হোক বা দোকানে। নিবন্ধন থাকলে নকল পেজ বা পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া অনেক সহজ হয়।
ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ কতদিন?
বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন প্রথমে সাত বছরের জন্য বৈধ থাকে, এরপর প্রতি দশ বছর পর পর নবায়ন করা যায়। সময়মতো নবায়ন করলে সুরক্ষা অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে।
খরচ কত?
খরচ নির্ভর করে কয়টি ক্লাসে আবেদন করছেন, আপত্তি আসে কিনা এবং কেউ বিরোধিতা করে কিনা তার উপর। কাজ শুরুর আগে আমরা লিখিত ফিক্সড-ফি কোটেশন দিই। আপনার ব্র্যান্ডের নাম ও পণ্য/সেবার বিবরণ দিয়ে WhatsApp করুন।
বাংলাদেশের ট্রেডমার্ক কি বিদেশেও সুরক্ষা দেয়?
না, ট্রেডমার্ক দেশভিত্তিক। রপ্তানি করলে বা বিদেশে ব্যবসা করতে চাইলে প্রতিটি দেশে আলাদা নিবন্ধন লাগে। আমরা বিদেশি সহযোগী আইন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই আবেদনগুলো সমন্বয় করি।
শুরু করুন

আপনার ব্র্যান্ড সুরক্ষিত করুন

আপনার ব্র্যান্ডের নাম ও কী বিক্রি করেন জানান। আমরা নামটি পাওয়া যাবে কিনা দেখে আবেদনের পরিকল্পনা পাঠাব।

WhatsApp করুন ইমেইল করুন

এটি বাংলাদেশের আইন সম্পর্কে সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। ফি, সময় ও প্রক্রিয়া পরিবর্তন হতে পারে; আপনার বিষয়ে একজন অ্যাডভোকেট নিশ্চিত করবেন।